বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

দুর্লভ-বিপন্নপ্রায় খিরখেজুর গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্লভ-বিপন্নপ্রায় মূল্যবান খিরখেজুর প্রজাতির গাছ। বীজ থেকে চারা হয়। এর অন্যনাম ফিরনি, খিরি, খিরখেজুর ও খিলুনি। গাছটি বেড়ে উঠতে অনেক সময় লাগে। এটি বিশাল আকৃতির চিরহরিত বৃক্ষ। এর জন্ম হয় গ্রীষ্মপ্রধান নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে। এর দেখা মেলে মূলত চীনের হাইনান এবং দক্ষিণ গুয়াংসি প্রদেশ, দক্ষিণ এশিয়ার শ্রীলংকা, ভারত, বাংলাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ক্যামবডিয়া, মিয়ানমার ও ভিয়েতনামে। বাংলাদেশে নাটোর, খুলনা, যশোর জেলায়, ঢাকা শহরের বিভিন্ন ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণ এলাকায় খিরি গাছের সন্ধান পাওয়া যায়। দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে এ গাছ দেখা যায়। একই কারণে এ গাছকে দুর্লভ এবং বিপন্ন মনে করা হয়। খিরনি বা খিরি বা খিরখেজুর হচ্ছে সাপোটাসি পরিবারের মানিলকারা গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি বৃক্ষ। খিরি বৃক্ষ সফেদা প্রজাতির। বীজ থেকে চারা তৈরি হয়। খিরখেজুর চারার সাথে সফেদার জোড়কলম তৈরি করা হয়। এজন্য সফেদার মাতৃকলম তৈরিতে খিরখেজুর চারার ব্যাপক চাহিদা নার্সারীতে। এটি ফলজ উদ্ভিদ হিসাবে বগানে, পুকুর পাড়ে, রাস্তার ধারে লাগানো হয়। খিরখেজুর শুষ্ক অঞ্চলের উদ্ভিদ, তবে পলি মাটিতে ভালো জন্মে। খুলনার পাইকগাছায় গদাইপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে খিরখেজুর গাছ রয়েছে। উপজেলার গদাইপুর নার্সীর জন্য খ্যাত। খিরখেজুরের চারা ছাড়া সফেদার জোড়কলম তৈরি করা যায় না। সে জন্য নার্সারীতে খিরখেজুরের চারার চাহিদা রয়েছে। উপজেলার গদাইপুর নির্মাণাধীন টেকনিক্যাল স্কুলের সামনে মেইন সড়কের ধারে বিশাল একটি খিরখেজুর গাছ রয়েছে। গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। সব বয়সের মানুষ এর মিষ্ট পাকা ফল খাছেন। গাছের মালিক মোসলেম গাজী এফএনএসকে জানান, গাছটির বয়স প্রায় ৩০ বছর। প্রতিবছর ফল ধরে, তবে এ বছর প্রচুর ফল ধরেছে। ফল খুব মিষ্টি। প্রতিদিন ছোট ছেলেরা গাছে উঠে পাকা ফল পাড়ছে। এ গাছের ফলের বিচির চাহিদা রয়েছে নার্সারীতে। বিশাল আকৃতির চিরসবুজ বৃক্ষ এটি। এ গাছ সাধারণত ১২ থেকে ৩৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। আর চওড়ায় ১ থেকে ৪ মিটার। এর বাকল ষৎ ধূসর এবং রুক্ষ। প্রসারিত মুকুট, বাকলে দুধের মতো ল্যাটেক্স আছে। পাতা সরল, পুরু, ডালের আগায় দলবদ্ধভাবে জন্মে ফুল হালকা হলুদ বর্ণের। ফল রসাল, বকুল আকৃতির, পাকলে হলুদ হয়। ফল থেতে খুব মিষ্ট। কাঠ মজবুত, আসবাব তৈরিতে ব্যবহার হয়। শ্রাবণ মাস ফুল ও অগ্রহায়ণ থেকে ফলের মৌসুম। ফল দেখতে বকুল ফলের ন্যায় আর বিচি সফেদার ফলের মতো। এর মিষ্টি ফল সব বয়সী মানুষের কাছে প্রিয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com
Web Site Designed, Developed & Hosted By ALL IT BD 01722461335