বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।
সংবাদ শিরোনামঃ
ধামইরহাটে এইচএসসি’র ফলাফলে মহিলা ডিগ্রী কলেজে শতভাগ পাশ খুলনার দাকোপ ঘুরে এলেন বেলজিয়ামের রানি ধামইরহাটে জমকালো আয়োজনে ধামইরহাট প্রিমিয়ার লীগের ট্রফি উন্মোচন শপথ নিলেন নবনির্বাচিত ৬ এমপি তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক তুরস্কের ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবে বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর উদ্ধারকারী দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবীদের আদালত বর্জন বিচারপ্রার্থীদের শুনানিতেই মিলছে জামিন, হচ্ছে নিষ্পত্তি এবারও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: দীপু মনি ৪০ হাজার ইভিএমে ত্রুটি পেয়েছে ইসি আইন ব্যবসা আর চকবাজারের ব্যবসা কি এক, প্রশ্ন হাইকোর্টের

হাসি ফিরেছে গোলাপ গ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভারের গোলাপ রাজ্যের কৃষকদের খরা কাটতে শুরু করেছে। গত কয়েক বছর থেকে এবার ফলন ভালো পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। তবে ফুলের দাম ওঠা-নামা করায় তা নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন খামারিরা।

তবে তাদের আশা, ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আর ২৬ মার্চসহ বিশেষ দিনগুলোতে ভালো দামে বেচাকেনা হবে এসব গোলাপ।

সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর, মৈস্তাপাড়া, সাদুল্লাপুর, বাগনীবাড়ি, ভবানীপুর ও বিরুলিয়ায় মাঠের পর মাঠ বিস্তৃত গোলাপ বাগান। ফুটে আছে লাল, সাদা, হলুদসহ নানা রঙের গোলাপ। শুধু মাঠে নয়, বসতবাড়ির আঙিনায়ও ফুটে আছে গোলাপ। চারদিকে তাকালে মনে হয় এ যেন এক গোলাপের রাজ্য।

বাগানের পরিচর্যা করার সময় কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, গোলাপ গ্রামে গত কয়েক বছর ধরে কৃষকের মুখে হাসি ছিল না। করোনা ও বাগানে ছত্রাকের সংক্রমণ সেই হাসি কেড়ে নিয়েছিল। তবে এ বছর ফলন ভালো পেলেও শুরুতে গোলাপের দাম পড়ে গিয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে। এভাবে দাম থাকলে এ বছর লাভের আশা করা যাবে।

আরেক চাষি মাসুদ রানা বলেন, বাজারে সার থেকে বীজ সব কিছুরই দাম বেশি। বাগানে যে টাকা লগ্নি করছি তা তুলতেই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সামনে ফুলের বাজার কমলে আবারও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

বাজারমূল্য নিয়ে তিনি বলেন, ডিসেম্বরের শুরুতে প্রতিটি গোলাপ বিক্রি হতো ৬ থেকে ৭ টাকায়। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা। সামনে আরো ২-১ টাকা বাড়তে পারে বলে আশা করেন এ চাষি।

প্রায় ১ যুগ ধরে গোলাপ চাষের সঙ্গে জড়িত মোস্তাপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেন বলেন, এ অঞ্চলের প্রধান চাষাবাদ হচ্ছে গোলাপ। যার ওপর অধিকাংশ পরিবার নির্ভরশীল। করোনায় ফুল বিক্রি অনেক কমে গিয়েছিল। ফলে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। এছাড়া ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মাঝের দিকে ছত্রাকের আক্রমণে গোলাপের বাগান নষ্ট হয়ে যায়। এতে পুরো মৌসুম লোকসান গুনতে হয়েছে।

 

সাভার উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এলাকার প্রায় দেড় হাজার কৃষক বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ চাষ করছেন। যেখানে প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে এ গোলাপের চাষ হয়।

সাভার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজিয়াত আহমেদ বলেন, করোনার কারণে ফুল বিক্রি না হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ছত্রাকের আক্রমণে গোলাপ বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কৃষকরা আবারও লোকসানে পড়েন। তবে আশার খবর হচ্ছে এবার চাষিরা গোলাপের ভালো ফলন পাচ্ছেন এবং বাজারে দামও ভালো পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর গোলাপ চাষিদের মুখে হাসি ফিরেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com
Web Site Designed, Developed & Hosted By ALL IT BD 01722461335