শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে নামলেও ভাঙ্গন বেড়েছে বাঁধে

মহিনুল সুজন, বিশেষ প্রতিনিধি: ভারত থেকে উজানের পানি প্রবাহ কমার কারণে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) মো. নুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তবে পানি কমলেও উপজেলার টেপা খড়িবাড়ি ইউনিয়নের স্বেচ্ছায় নির্মিত একটি বাধ সহ উপজেলার একাধিক  ইউনিয়নের বাঁধ ও রাস্তা-ঘাটে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অনেক গ্রামের রাস্তা-ঘাট এখনো পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে বলে জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে একই পয়েন্ট দিয়ে বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিলো। এসময় ভয়াবহ ঢলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে তিস্তা পাড়ের মানুষ।পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পানি শাখা) মো. আমিনুর রশিদ জানান, ভারতের পাহাড়ি ঢল ও উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি ওঠা-নামায় ডালিয়া পয়েন্টে বন্যা দেখা দেয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, সর্বশেষ শুক্রবার দুপুর ২টার পরিমাপে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচে নেমে এসেছে। ফলে তিস্তার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে। তবে সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জনজীবন নাকাল হয়ে পড়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উজানের পানি প্রবাহ একটু কমে আসায় শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ৬০) ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহ হয়েছে।ওই পয়েন্টে সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে নামলেও বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪ স্লুইস গেট (জলকপাট) খুলে রাখা হয়েছে।

সৈয়দপুরে বজ্রপাতে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু।

মহিনুল সুজন, বিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় বজ্রপাতে সালাউদ্দিন আহমেদ(১২) নামে এক স্কুল শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছে। শুক্রবার(২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সালাউদ্দিন পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম নুর ইসলামের ছেলে ও বাঙ্গালীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

বাঙ্গালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রনোবেশ চন্দ্র বাগচি বলেন, বাড়ি পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে মারা যায় সালাউদ্দিন

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com