বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

 বানারীপাড়ায় মাদক ব্যবসা ও সেবন পরিহার করলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন সিআইপি আজাদ

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া (বরিশাল)প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিকুল ইসলাম আজাদ সিআইপি সমাজ গঠনে একটি মহত উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তিনি ঘোষনা করেছেন উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারিরা তাদের কর্মকান্ড ছেড়ে দিয়ে সুন্দর সাবলিল জীবনে ফিরে আসতে চাইলে তাদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবেন।

এছাড়াও সিআইপি আজাদ দেশে করোনাকাল শুরু হওয়ার পরেই এই উপজেলায় সর্ব প্রথম সাধারণ মানুষের পাশে প্রয়োজনীয় নিত্য পণ্য ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যে শতকরা ২০% ভর্তুকি দিয়ে যাদের দরকার তাদের বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন করোনায় লকডাউনের প্রথম দিকে। দিয়েছেন ইফতার ও ঈদ সামগ্রী।

মাদক ব্যবসা ও সেবন পরিহার করে আশিকুল ইসলাম আজাদের কাছে যদি কেউ আসে তবে তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এটা নিশ্চত বলে জানাগেছে। তবে তার এ মহতি মনোভাব কতটা ফলপ্রসু হবে তা নিয়ে সচেতন মহলের ধারণা ভিন্ন কথা বলছে। তাদের মতে সর্বনাশা মাদকের ভয়ঙ্কর ছোবলে বর্তমানে কিশোর ও যুব সমাজ ওতোপ্রতো ভাবে জড়িয়ে পরে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছে।

সংসার, সমাজ এমনকি রাষ্ট্রের কাছেও এরা ভয়ানক এক বোঝা। মাদকের ব্যপারে একের পর এক প্রসাশনিক অভিযানে ব্যবসায়ী ও সেবনকারিরা হচ্ছে আটক। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে মামলা। তবে কিছু দিনের মধ্যেই ছাড়া পেয়েই পুনরায় তারা মাদক ব্যবসায় এবং সেবনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়ে থাকে সরকারি ভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন কারিদের নিরাময় কেন্দ্রে দিয়ে ভালো করে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। তবে এ ক্ষেত্রে তেমন সফলতা আসছে না বলে জানাগেছে।

কেননা নিরাময় কেন্দ্র থেকে সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসার পরে পুনর্বাসনের জন্য সরকারি ভাবে কি ব্যবস্থ্যা আছে সেটা ওই ব্যক্তি বা তার পরিবারের কেউই জানেন না। তাই অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ইচ্ছা থাকলেও উপায় (সামর্থ্য) থাকেনা তাদের সন্তানকে পুনর্বাসন করা। এভাবেই সরকারের ভালো একটি উদ্যোগ সফলভাবে আলোর মুখ দেখছে না। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারিরা আত্মসমর্পণ করার পরেও ভালো পথে ফিরছে না বলেও অভিযোগ

রয়েছে। ফলে এই মরণ নেশাকে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হচ্ছেনা। সচেতন মহল আরও মনে করছেন সর্ষের ভিতরে এক প্রকার ভুত থাকায় বা জ্বীন তারানোর ওঝাদেরকেই জ্বীনে পাওয়ায়, সর্ষে থেকে আসল তেল এবং জ্বীনে পাওয়া ব্যক্তিদের সারানো কিংবা তাদের কর্মকান্ড স্ব-মুলে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com