সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গ্রেফতারকৃত আসামির বাড়িতে পুলিশের খাদ্য সহায়তা

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার মরিয়ম বেগম (৩৮) উপজেলার পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাকির হোসেন চালাকি করে ব্যবসার নামে স্ত্রীকে জামিনদার রেখে মঠবাড়িয়া ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা ঋণ নেন। এরপর কৌশলে আরও বিভিন্ন এনজিও থেকে ৩০ লাখ টাকা নেন। পরে গোপনে সব জমিজমা বিক্রি করে দেন। ২০১৫ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করে তিনি মঠবাড়িয়া থেকে পালিয়ে যান। পরে জাকির ও তার প্রথম স্ত্রী মরিয়মের বিরুদ্ধে পিরোজপুর অর্থ ঋণ আদালতে এনজিওর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।
মরিয়ম বেগম মাথা গোজার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে তিন সন্তান নিয়ে নানা বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে থেকে অন্য মানুষের বাড়িতে কাজ করে ও কাঁথা সেলাই করে সংসার চালাতে থাকেন। বেশিরভাগ দিনই তাদের না খেয়ে থাকতে হয়। এনজিওর দায়ের করা মামলায় আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। স্বামী দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকলেও মরিয়ম বেগম ছিলেন এলাকাতেই।
সোমবার (৩০ আগস্ট) মঠবাড়িয়া থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলী, উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম ও লাবনী আক্তার আসামি মরিয়ম বেগমের বাড়িতে যান। পরে মরিয়মকে গ্রেফতার করা হয়।
মরিয়ম বেগমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় তার সন্তানরা কান্নারত অবস্থায় বলতে থাকেন, ‘আমরা এখন কিভাবে থাকবো, খাবো কী? ঘরেতো কিছুই নেই। আমাদের মাকে ছেড়ে দেন। মা কিছু করে নাই।’
এ কথাগুলা এএসআই জাহিদুলের কানে আসে। মরিয়ম বেগমের সংসারের করুণ অবস্থা এএসআই জাহিদুল ইসলাম জাহিদকে নাড়া দেয়। তবে তখন কিছু করার ছিল না এএসআই জাহিদুলের। আদালতের আদেশ মেনে মরিয়ম বেগমকে গ্রেফতার করতে হয়। থানায় মরিয়ম বেগমকে রেখে মঠবাড়িয়া বাজার থেকে ওই পরিবারের জন্য এক মাসের চাল, ডাল, তেল, আলু, লবণ, সাবান, পেঁয়াজ, মরিচ, হলুদ, চিনি ও চাসহ বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা নিয়ে ওই বাড়িতে হাজির হন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এএসআই জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, মরিয়ম বেগম এতো অসহায় না দেখলে কেউ বুঝতেই পারবে না। তার অবর্তমানে এই সংসারের আহার জোগার করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই যতদিন মরিয়ম বেগম কারাগারে থাকবেন, ততদিন আমার রেশন দিয়ে এই পরিবারকে সহায়তা করে যাবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com