মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৭:০২ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।
সংবাদ শিরোনামঃ
ডেমরায় নিরীহ পরিবারের সম্পত্তি গ্রাস করতে ভুমিদস্যুদের অপকৌশল গাবতলী, সোন্দাবাড়ী দারুল হাদিস রহমানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন কালে মাদরাসার কৃতপক্ষ ফুলের শুভেচ্ছা জানান (৪২)বগুড়া -৭ আসনের এমপি জনাব মোঃ রেজাউল করিম বাবলু মোহদয় কে।সেই সাথে সোন্দাবাড়ী দারুল হাদিস রহমানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন ? নামীদামী ব্রান্ডের সাথে পাল্লা দিয়ে নুরানী চিলি সস ও টমেটো কেচাপ এখন ভোক্তাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে যাত্রাবাড়িতে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনে কাজ করছেন ট্রাফিক পুলিশের টিআই মৃদুল পাল ও মেনন শিবগঞ্জে আশুরা উপলক্ষে শোক মজলিস ও র‍্যালী বাল্যবিয়ের হাত থেকে রেহাই পেল কিশোরী

পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে বেড়েছে বাদাম চাষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মার অনাবাদি চরে চিনা বাদাম চাষ বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলন ভালো হওয়ায় এসব জমিতে বাদাম আবাদ করছেন চাষিরা। বর্তমানে তারা বাদাম ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়ায় প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী, ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়ন সংলগ্ন চরে চাষ হয়েছে প্রায় ৮৯০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এবার ১০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ বেড়েছে। চরের মাটিতে পাথর ও বালু বেশি থাকায় এ অঞ্চলে ফলন ভালো হয়।

জানা গেছে, এক সময় পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা বালুচর পড়ে থাকতো, যা চাষিদের কোনও কাজেই আসতো না। এখন জেগে ওঠা পদ্মার চরে স্থানীয় চিনা বাদাম চাষ করছেন তারা। সাফল্য পাওয়ায় প্রতিবছরই বাদাম চাষ বাড়ছে। অর্থকরী এ ফসলের চাষ পুরো চরে ছড়িয়ে পড়ছে। বাদাম চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। আর প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৮শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা মণ দরে।

স্থানীয় চিলমারীর চরের বাদাম চাষি শিমুল মিয়া বলেন, ‘এ বছর পাঁচ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। খরচ বাদ দিয়ে বর্তমান বাজার দরে বিঘাপ্রতি প্রায় ১৫ হাজার টাকা করে লাভ হচ্ছে।’

মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর গ্রামের চাষি সোহরাব আলী জানান, এ বছর পাঁচ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন তিনি। লাভ হওয়ায় আগামী বছর দ্বিগুণ জমিতে বাদাম চাষ করার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান।

আরেক বাদাম চাষি ওহিদুল ইসলাম জানান, নদীতে বন্যার পানি আসার আগেই চরের সব বাদাম চাষিদের ঘরে তুলতে হবে, না হলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এদিকে বাড়ির গৃহস্থালির কাজ শেষে বাদাম ক্ষেতে কাজ করে নারী শ্রমিকরাও বেশ খুশি। তারাও কৃষকের ক্ষেতে গাছ থেকে বাদাম ঝরিয়ে প্রতিদিন আয় করেছেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ থেকে বাদামের নতুন জাত সরবরাহসহ কারিগরি পরামর্শ প্রদান ও সব ধরনের সহায়তার দেওয়া হচ্ছে। বাদামের ফলন ভালো হয়েছে, এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। চরাঞ্চলের অনাবাদি জমি বাদাম চাষের আওতায় আনা গেলে চরবাসীর সারাবছরের আর্থিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের বাদামের চাহিদা মিটবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com