শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

বানারীপাড়ার সৈয়কাঠিতে এক মঞ্চে ৯ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া: বরিশাল জেলার অন্তর্গত বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বরিবার বিকেলে ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে এক কর্মী সভায় ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক চান এমন ৯ জন প্রার্থী এক মঞ্চে হাতে হাত রেখে যিনিই নৌকা প্রতীক পাবেন তার পক্ষে কাজ করার দৃঢ় শপথ গ্রহন করেণ। ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফারুক

হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেণ, সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন মৃধা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তরিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান মিঠু ঘরামী, ইউনিয়ন আওয়ামী

লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মৃধা, আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমান, নূর হোসেন মিয়া, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান মামুন। এরা সকলেই আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বর্তমান চেয়ারম্যানকে পুনরায় মনোনয়ন না দেয়ার আহবান জানান, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে।

হাফিজুর রহমান মামুনের সঞ্চালনায় কর্মী সভায় আরও বক্তৃতা করেণ, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লালন, ৭নং  ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস ছালাম, ছাত্রলীগ নেতা সবুজ। কর্মী সভায় বক্তারা বলেন, নৌকার মনোনয়ন নিয়ে বিগত বছর গুলোতে বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি-জামায়াতের সাথে আতাত করে সম্পূর্ণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে কোনঠাসা করে রাখেন। এর প্রতিবাদেই এবার আওয়ামী পরিবারের ৯জন প্রার্থী এক হয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। এই ৯জন প্রার্থীর মধ্য থেকেই যেকোন একজনকে মনোনয়ন দেয়ার দাবীও জানান বক্তারা।

বানারীপাড়ায় মূহুর্তের মধ্যেই ১৪টি দোকান বন্ধ

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বরিশাল-বানারীপাড়া-স্বরূপকাঠী সড়কের মাছরং গ্রামের সরকারি খালের ওপরে নির্মিত প্রায় ৩০ বছরের ১৪ টি কাঁচাপাকা দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। তবে ভূক্তভোগী ওই দোকানীরা জানান কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের দোকান গুলো বন্ধ করে দেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মফিজুর রহমান। তারা আরও জানান, রবিবার ১৫ নভেম্বর প্রতিদিনের ন্যায় তারা তাদের দোকান খুলে বিকি-কিনি করতে ছিলেন। হঠাৎ বেলা ১১টার দিকে তিনি ওই স্থানে উপস্থিত হয়ে দোকানীদের মালামাল সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। এতে যেন মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার অবস্থা হয় অসহায় দোকানীদের। দোকানীরা আরও জানান,  মালামাল সরানোর জন্য সময় চাওয়া হলেও তাদেরকে কোন সময় দেওয়া হয়নি।

দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই ১৪জন দোকানী ও তাদের পরিবারের প্রায় ৮০ জন সদস্য’র চোখেমুখে বর্তমানে অমাবশ্যার ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে। জীবিকা হারিয়ে তারা পাগলের মতো হয়ে পড়েছে। পুনরায় ওই স্থানে অথবা তাদেরকে অনত্র ব্যবসা করার জন্য স্থান দেওয়ার দাবীতে সোমবার ১৬ নভেম্বর সকালে উপজেলা পরিষদের সামনের ফটকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেণ।

মানববন্ধনে দোকানী সমীর বলেন, তাদেরকে কোন প্রকার আগাম বার্তা না দিয়েই  (নোটিশ) উপজেলা প্রশাসন হঠাৎ এসে তাদের দোকান  গুলো বন্ধ করে দেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, মমতাময়ী মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছেন। তাদেরকে অনেক মাস পর্যন্ত খাইয়ে রেখেছেন।  আর তারা এদেশের সন্তান হয়ে সামান্য একটু সরকারি ভূমিতে বসে পরিবার-পরিজন নিয়ে ব্যবসা

করে খেতে পারবেন না। রোহিঙ্গারা বাসস্থান পেলো, চিকিৎসা পেলো, খাবার পেলো আর তারা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে জীবিকা হারিয়ে পথে পথে ঘুরছেন। তবে তারা কি এদের চেয়েও অনেক নিকৃষ্ট। এ বিষয়ে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন, নদী কমিশনের নির্দেশে নদী খাল দখল মুক্ত করার জন্যই এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখা হবে এবং তাদেরকে পুনর্বাসনের জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com