শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

শিবগঞ্জে প্রাণি সম্পদ অফিসে সার্জন না থাকা প্রাণি চিকিৎসা সেবা বচ্ছিত কৃষক

সাজু মিয়া শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ আদর্শ উপজেলা হিসাবে পরিচিত হলেও দেড় বছর হচ্ছে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে ভেটেনারী সার্জন এর ডাক্তার নেই। গবাদী পশু পালন কৃষকরা আছেন বিপাকে। জানা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে সংগঠিত এলাকায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে আছে গবাদী পশু। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস থাকলেও গত দেড় বছর যাবত ভেটেনারী সার্জন এর ডাক্তার নাই। লক্ষ লক্ষ গবাদী পশু নিয়ে অনেকে আছে বিপদে।

সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হাজারো মানুষ। এরই ফাঁকে এলাকায় এলাকায় গড়ে উঠেছে পল্লী প্রাণি চিকিৎসক। এসকল পল্লী প্রাণি চিকিৎসকদের নেই কোন সার্টিফিকেট বা প্রাণি চিকিৎসার উপর ট্রেইনিং।ঁ এদের মটর সাইকেলের পিছনে থাকে বীজ দেওয়ার একটি বক্স ও থাকে একটি কালো ব্যাগ। গ্রামের সাধারণ কৃষকদের থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোট অংকের টাকা।

তাই শিবগঞ্জ বাসী এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রাণি সম্পদ অফিসে চান ভেটেনারী সার্জন। গবাদী পশু পালনকারী শাহিনুর ইসলাম, আ: মালেক, আ: গফুর, আ: সামাদের মত হাজারো গবাদী পশু পালন মানুষেরা বলেন, আমরা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ, অনেকে চালায় ভ্যান, রিক্সা, ভটভটি এবং কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বছরে ১/২টি গরু পালন করেন। বাড়ীর বাজারের সাথে গরুরও খাবার কিনে।

বছর পার হলেই গবাদী পশু থেকে মোটা অংকের টাকা পায়। জমি নেয় বর্গা ও এগ্রিমেন্ট। ওখান থেকে যে আয় হয়, তাহা দিয়ে সংসার চালায়। কিন্তু গবাদী পশু পালন করতে গিয়ে যদি ভালো ডাক্তা না পাই, তাহলে আমাদের বড়ই বিপদ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জাফরিন রহমান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে, তিনি বলে, আমি অনেক সময় প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকি। এই উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। আমার অফিসে একজন মাত্র কম্পাউন্ডার রয়েছে। এলাকার কৃষকদের গবাদি পশুর চিকিৎসা কিছুটা বিঘন্ন হচ্ছে। তবে একজন সার্জন থাকলে এলাকার কৃষকরা উপকৃত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com