বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে শিবগঞ্জ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ কে শুভেচ্ছা প্রদান

শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ এসএম বদিউজ্জামানকে সোমবার রাত ৮টায় ময়দানহট্টা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ময়দানহট্টা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ও প্যানেল

চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম নান্নু, ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মেজবাউল আলম মেজবা, সাধারণ সম্পাদক আপেল আহমেদ মেহেদুল, থানা যুব মহিলা লীগের নেত্রী ও ময়াদনাহট্টা ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা শাহানারা বেগম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা তোতা মিয়া, মাহবুব মোর্শেদ হিরা, ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সোহেল রানা মাসুদ। মত বিনিময় কালে নবাগত অফিসার ইনচার্জ বলেন, শিবগঞ্জ

থানা শিবগঞ্জ থানা কে মাদক মুক্ত করতে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। মাদক বিক্রেতা বা মাদক সেবনকারীদেরকে চিহ্নিত করে পুলিশকে খরব দিন। পুলিশ তাৎক্ষনিক ভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে এ থানা কে মাদক নির্মূল করবো ইনশাল্লাহ।

 

বগুড়ার শিবগঞ্জে দিন দিন কচু চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

সাজু মিয়া শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জে চলতি মৌসুমে কচু চাষে সফলতা পেয়েছেন কৃষক। মুখি কচু চাষে কোনো ঝুঁকি নেই। কৃষক জমিতে মুখী কচু রোপন করে তুলনামূলক কম সময়ে বিক্রি করতে পারে। মুখি কচু চাষে উৎপাদন খরচ খুব কম। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সহযোগিতায় উপজেলায় তিন ধরনের জাতের কচু চাষ হচ্ছে ৩’শ হেক্টর জমিতে। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মোজাহিদ সরকার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মুখিকচু হিসেবে পরিচিত স্থানীয়ভাবে লতিরাজ জাতের কচু অনেকের কাছেই প্রিয় সবজি হয়ে উঠেছে। ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি ও ভাল বাজারমূল্য পাওয়ায় শিবগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাসহ এ অঞ্চলের কচুচাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় উপযুক্ত ভূমি, উপকূল আবহাওয়া ও স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় কচুর চাষ ভাল হয়েছে। শ্রমিক, যত্ন ও চাষাবাদে স্বল্প ব্যয় হওয়ায় অনেক কৃষক কচুচাষকে বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণ করেছেন। কম উৎপাদন খরচ ও ভালো মুনাফার কারণে শিবগঞ্জ উপজেলায় বাড়ছে মুখিকচুর চাষ। ধান উৎপাদনে খরচ ও ঝুঁকি বেশি কিন্তু লাভ কম। এ অঞ্চলে সাদা ও লাল রংয়ের কচুসহ বিভিন্ন জাতের কচুর চাষ করেন কৃষক। প্রায় সব জাতের কচুই পানি মগ্ন এলাকায় জন্মে থাকে। ধান চাষের চেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কচু চাষে খুব অল্প পরিচর্যা লাগে। তাই এর চাষে ঝুঁকিও কম। সে কারনে কম খরচে ঝুঁকি ছাড়ায় আগাম মুখি কচু চাষ করে লভাবান হচ্ছে কৃষক।
বর্তমানে স্থানীয় বাজারে কচুকন্দ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং দুই/তিন মাস পর এই দাম আরও বারবে হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এর চাহিদাও বাড়ছে। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু, ছাগল কচু গাছ খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য কোন শ্রমিকেরও প্রয়োজন হয় না। মুখি কচু চাষে কোনো ঝুঁকি নেই। কৃষক জমিতে মুখী কচু রোপন করে তুলনা মূলক কম সময়ে বিক্রি করতে পারে। মুখি কচ চাষে উৎপাদন খরচ খুব কম। পাশাপাশি রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কৃষক জৈব (গোবর) সার ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কম হবে। জানুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে লতিরাজ জাতের কচু পাওয়া যায়। এই কচু চাষ মধ্য এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে মধ্য ডিসেম্বর ৮ মাস পর্যন্ত চলে। প্রতি বিঘা জমি হতে ৮০ থেকে একশো মণ পর্যন্ত কচু উৎপাদন হয়।
শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মোজাহিদ সরকার আরও বলেন, বর্তমানে এ উপজেলায় কচু চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কচু পরিবেশ-বান্ধব, বিষমুক্ত ও পুষ্টিকর শস্য। কৃষি বিভাগ কৃষকদের উচ্চ ফলনজাতের কচু চাষের জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com