মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
দিনাজপুরে করোনায় একজনের মৃত্যু পার্বতীপুরে রেলের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান এবং জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এম.পি মোকতাদির স্বপরিবারে করোনা আক্রান্ত দিনাজপুরে তাপমাত্রা ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস দিনাজপুরে করোনায় আরও ৩৪ জন আক্রান্ত শ্রীপুরে বিএনপি’নেতাকে গঠনতন্ত্র ছাড়াই বহিষ্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  শ্রীপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে  পুলিশের ওপর হামলা  গ্রেফতার ২, পৃথক দুটি মামলা শ্রীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বিধবা নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চলাচলের রাস্তা বন্ধ  বঙ্গবন্ধু জাতীয় আবৃত্তি উৎসব নয়টি সংগঠনের ৫০ আবৃত্তি শিল্পী অংশ নিবে  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪৫ ভাগ মানুষ টিকা নিয়েছেন

পাহাড়ীদের অন্যতম খাবার নাপ্পি

অনলাইন ডেস্কঃ দেশ-বিদেশ সারাদেশে পাহাড়িদের প্রিয় খাবার নাপ্পি, তার মধ্যে অন্যতম দু’পাশে দোকানের সামনে সাজানো রয়েছে বাঁশের ছোট ছোট ডালা। কলাপাতা দিয়ে মোড়ানো ডালায় বিক্রি হচ্ছে পাহাড়ি,ম্রোদের প্রিয় খাবার ‘নাপ্পি’। কেউ ‘নাপ্পি’, আবার কেউ চেনেন ‘সিদল’ নামে। এটি মূলত ত্রিপুরাদের অতি প্রিয় খাবার। বান্দরবান জেলার মগ বাজারে গিয়ে সন্ধান মিললো এই খাবারের। মূল বাজার পেরিয়ে শেষ দিকে ১০/১৫টি দোকানে নাপ্পি নামে বিশেষ এই খাবারের ক্রেতা চাকমা নৃ-গোষ্ঠী আর বিক্রেতা রাখাইন সম্প্রদায়, যারা কক্সবাজার থেকে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এসে মগ বাজারে গড়ে তুলেছেন স্থায়ী এই বাজার। বাজার বা দোকনের পেছনেই তাদের বাসা। সিদল বা নাপ্পির পাশাপাশি ত্রিপুরা, চাকমা আদিবাসীদের ব্যবহারের জন্য অন্যান্য জিনিসপত্রও বেচা-কেনা হচ্ছে এই বাজারটিতে। তবে এটি বান্দরবানে মারমা এলাকায় মগ বাজারে বিক্রি করা হয়। পাহাড়িদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র নিয়ে গড়ে উঠা এই বাজারটি পর্যটকদের কাছেও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। সামুদ্রিক চিংড়ি ও অন্যান্য গুঁড়া মাছের তীব্র গন্ধ যুক্ত গুলানো ময়দার মতো এই খাবারটি কক্সবাজারে তৈরি হয় বলে জানালেন বিক্রতারা। বাজারের প্রবেশমুখে কথা হয় নাপ্পি বিক্রেতা মংসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ছোট চিংড়ি ও অন্যান্য সামুদ্রিক ছোট মাছের গুঁড়া দিয়ে তৈরি করা হয় নাপ্পি। সঙ্গে যোগ হয় কিছু বাড়তি উপাদান। তীব্র গন্ধ যুক্ত হলেও যেকোনো তরকারির বাড়তি স্বাদ এর জুড়ি নেই। আরেক বিক্রেতা মাও সইজো বলেন, কলাপাতায় মুড়িয়ে সামান্য পুড়িয়ে শক্ত করে তরকারিতে দেওয়া হয় নাপ্পি। আবার পানিতে গুলিয়ে এবং সরাসরি ব্যবহার করা যায় তরকারির সঙ্গে। তরকারিতে মেশালে স্বাদ বাড়ে দ্বিগুণ। শুটকি মাছের মতো সব তরকারিতেই ব্যবহার করা যায়। পাহাড়ি, ত্রিপুরা,ম্রো, মারমা ও চাকমাদের কাছে এই খাবার জনপ্রিয় হলেও অনেক বাঙালিরাও নাপ্পি খেয়ে থাকেন বলে জানান স্থানীয়রা। ব্যবসায়ীরা জানান, দিন দিন বাড়ছে এর চাহিদা। ফলে বান্দরবানে মগ বাজারে গড়ে উঠেছে। পূর্ব পুরুষ থেকে বর্তমান পর্যন্ত ৫/৬ পুরুষ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এখানে। বর্তমানে প্রতি কেজি ২৪০টাকা দরে বিক্রি হলেও বঙ্গোপসাগরে মাছের সংকট হলে দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়, জানান ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com