সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা মাছ বাজারে দূষণ পরিবেশ সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ

 রাকিব হোসেন সোহেল লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতাধীন ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে চৌরাস্তা ভবানীগঞ্জ মাছ বাজারে পরিবেশ দূষণের কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। যদিও সাধারণ মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীদের বুক পেটে যায়, মুখ দিয়ে বলার সাহস খুজে পাচ্ছেনা খুলছেনা কেউ ভয়ে মুখ। হতগম্ব নিরব মন নিয়ে চলছে সাহস ও জন বলের অভাবে সাধারণ  মানুষের জীবন।শুক্রবার সকাল ১১টার সময় লক্ষ্মীপুর কমলনগরের দিকে যাওয়ার পথে ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা মাছ বাজারের দৃশ্য হঠাৎ চোখের নজরে পড়ে দৈনিক গণজাগরণের। তখন দেখতে পাই বাজারের নোংরা আর দুর্গন্ধ জনীত পরিবেশ। পরে নোংরা পরিবেশ দেখে সাংবাদিকদের যাওয়া হয় ফাতেমা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে। সেখানে গিয়ে মাছ বাজার সম্পর্কে জানতে চাইলে। ফাতেমা স্টোর এন্ড রেস্টুরেন্ট, সদাগর স্টোর, বাবুল ক্রোকারিজ স্টোর, কর্ণফুলী আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক, মফিজ চা দোকানদার, দুলালী স্টোর, রফিক ওয়াকর্সফ, হেলাল স্টোর, হেলাল অটোরিকশা, হাতুড়ি দোকানের মালিক সহ,আরও অনেক ব্যবসায়ীরা জানান। বাজার কমিটির বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই, অভিযোগ হচ্ছে মাছ বাজার ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।মাছ বাজারে পরিষ্কার পরিচিন্ন না থাকার কারণে আজ বাজার ব্যবসায়ীদের দুরঅবস্থা।এর জন্য একমাত্র দায়ী হচ্ছে মাছ ব্যবসায়রা।তারা মাছের পৌছা পানির দিয়ে দুর গন্ধ পরিবেশ ও মাছি-মশার সৃষ্টি করে।তাদের কারণে আমরা খাবার পর্যন্ত খেতে পারচ্ছিনা। জমিয়ে থাকা পৌছা পানির উপর উড়ে এসে পড়তে থাকে মশা-মাছি ।মাছের পানির পৌছা দুর্গন্ধের মধ্যে খাবার খেয়ে পেটে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে থাকে।বড় ধরণের রোগে আমরা আক্রান্ত হয়ে কাটাতে হচ্ছে ঝুকির মুখে জীবন। মনে হচ্ছে খাবার খাচ্ছিনা, মশা-মাছি খাচ্ছি।সাক্ষাতে কিছু পথচারীদের মুখ থেকে এখানকার পরিবেশের কথা জানতে পারি। তারা জানান, লক্ষীপুর থেকে কমলনগর যাওয়া আসার পথে এই ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তা ফাতেমা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে আসা হয় গাড়ী থেকে অনেক যাত্রীদের। কিন্তু হোটেল খাবার থাক দুরের কথা, বসা পর্যন্ত অসম্ভব হয়ে উঠছে,পাশে মাছ বাজারের নোংরা ও অপরিষ্কার পরিবেশ থাকার কারণে।মাছ বাজারের পরিবেশ সর্ম্পকে জানার জন্য বাজার কমিটির সহ-সভাপতি মোজ্জাম্মেল হোসেন এর নিকট যাওয়া হয় দৈনিক গণজাগরণ কে। সেখানে গিয়ে মাছ বাজার নোংরা পরিবেশ থাকার কারণ জানতে চাইলে,বাজার কমিটির সহ- সভাপতি জানান। মাছ বাজারে নোংরা হবে কিছু করার নেই।তবে পরিষ্কার পরিচিন্ন পরিবেশে রাখতে বলা হবে যারা এই বাজারে মাছ ব্যবসা করেন। এদিকে ফাতেমা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক বলেন, আমি নতুন দোকান দিয়েছি শান্তি পূর্ণ ভাবে ব্যবসা করে আমার পরিবারের স্বজদের নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই। বাজারে ময়লা পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে বাজার ব্যবসায়ীদের দুরঅবস্থা দেখা দিয়েছে।এ ব্যাপারে বাজার কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি কে কয়েকবার বলা হয়েছে।কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছিনা তাদের তদারকির অভাবে আমরা বাজার ব্যবসায়ীরা শান্তি ভাবে দূষণ মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পাচ্ছি-না। তারা আরও বলেন আমরা দূষণ মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে চাই।এই জন্য বাজার কমিটির ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবংপরিবেশ অধিদপ্তর ও নির্বাহী কর্মকর্তার একান্ত সসহযোগীতা চেয়ে জানিয়েছেন  ১৭নং ভবানীগঞ্জ এলাকাবাসী ও চৌরাস্তা বাজার ব্যবসায়ী গণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com