শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।

ধামরাইয়ে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি,আতঙ্কে গ্রামবাসি

মোঃ বুলবুল খান পলাশ, ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে চৌহাট ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামে বসত বাড়ি ছিলো আব্দুল জলিল মিয়ার (৬০)। শেষ সম্বল ৭ শতাংশ বসতভিটার মালিক ছিলেন আব্দুল জলিল মিয়া,চা বিক্রয় করে বেশ চলছিলো তার সংসার, এখন সব হাড়িয়ে থাকার মতো জয়গাটুকু নেই তার। বসতভিটা হাড়িয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন জলিল মিয়া,বংশী নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া গ্রামের জলিল মিয়া সহ উপজেলার বেশ কিছু পরিবার ফসলি জমি,বসতভিটা ভাঙনের মুখে পরেছে, মানবেতার জীবনযাপন করছেন ঐ সব পরিবার।বসতভিটা,ফসলি জমি রক্ষায় সরকার সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়,গত কয়েক বছরে বর্ষা ও বন্যর মৌসুমে বংশী নদী ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে চৗহাট ইউনিয়নের ছোট ভাকুলিয়া  গ্রামের বেশ কিছু বসতবাড়ি ফসলী জমি,এ বছর ভাঙনের মুখে রয়েছে অসংখ্য দোকান-পাট বসতভিটা মসজিদ সহ ফসলি জমি।গত কয়েক দিনের ভাঙনে মোঃ ফজর আলী,মোঃ সুলতান মিয়া,মোঃ বাসেদ আলী,মোঃ মোখলেছ আলী,মোঃ হালিম,আব্দুল আলীম বসত বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তারা কেউ কেউ অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন আবার কেউ রাস্তার পাশে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। অন্যদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে নদী ভাঙন ক্রমাগত বেড়েই চলছে। ভাঙন ভয়াল আকার ধারণ করায় নদী তীরবর্তী বসবাসকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।এ ব্যাপারে ধামরাই খনিজ সম্পদ নদী উন্নয়ন পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে নদীর তীর ভাঙন এলাকায় সরকারীভাবে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com