সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসা পেলো না যুবক, পরে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের গেটের সামনে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রায় একঘণ্টা ছটফট করেও মো. শাহীন (২৮) নামে এক যুবক চিকিৎসা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশের সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানোর পথে তার মৃত্যু হয়

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের সান্দিড়া এলাকায় রাস্তায় বড়আখিড়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে মো. শাহীন যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের দরজার সামনে রোগীকে রেখে বিষয়টি চিকিৎসককে অবহিত করেন। প্রায় পৌনে একঘণ্টা সেখানে মেঝেতে ছটফট করলেও শাহীনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। অমানবিক ঘটনাটি দেখে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা জনতা আদমদীঘি থানায় খবর দেন। ওই থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে এসআই নাজমুল হোসেনকে ঘটনাস্থলে পাঠান। নাজমুল ১২টার দিকে হাসপাতালে তদবির করে চিকিৎসার জন্য ওই যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে পাঠান। পথিমধ্যে শাহীন মারা যান

বিষয়ে জানতে ফোন করলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে ওই যুবকের নাম পরিচয় জানানো হয়। ওপার থেকে শুধু বলা হয়, ‘এখানে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করা রোগীর চিকিৎসা হয় না।পরিচয় না দিয়েই ওপাশ থেকে ফোন সংযোগ কেটে দেওয়া হয়

এসআই নাজমুল হোসেন জানান, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখি ওই যুবক জরুরি বিভাগের সামনে মুমূর্ষু অবস্থায় ছটফট করছিলেন। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে তাকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় পাঠানো হয়। পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি রেজাউল করিম বলেন, ‘ওই যুবক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দরজায় কিছুক্ষণ পড়েছিল।

প্রসঙ্গে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী সাংবাদিকদের জানান, ওই যুবক বিষপানে অসুস্থ ছিলেন। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com