বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
গাজীপুরে অজ্ঞাতনামা মৃত মহিলার পরিচয় প্রয়োজন আইজিপি ও ডিএমপির কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষন ডিএমপির কদমতলী থানার ওসির বদলি প্রত্যাহার চায় বাসিন্দারা শ্রীপুরে জন্ম প্রতিবন্ধী আতিকুলের স্বপ্ন পূরণ করলো ছাত্রলীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু ডিমলায় পল্লীশ্রী’র চেক হস্তান্তর ও উপকরণ বিতরণ নাজিরপুরে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নির্মাণের দরপত্র জমা না নেওয়ার অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে গাবতলীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নিমার্ণের স্থান পরিদর্শন গাবতলীর কাগইলে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা প্রথমে নোটারী পাবলিকে পরে কাজী অফিসে বিয়ে নেত্রকোণার দূর্গাপুরে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন  উখিয়ায় ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ সাদ্দাম নামক চোরাকারবারি আটক: পলাতক ০২

লাকসামে ডাঃ আলীর অপচিকিৎসা; সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ 

লাকসাম প্রতিনিধিঃকুমিল্লার লাকসামে ডাঃ মোঃ আবদুল আলীর বিরুদ্ধে অপচিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৯ আগষ্ট অপচিকিৎসায় ক্ষতিগ্রস্ত রোগীর পিতা কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জনের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী উপজেলার নরপাটি (তেলিপাড়া) গ্রামের মৃত মমতাজ মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নজরুল
ইসলামের মেয়ে বিলিকিস আক্তারকে গত ২৪ আগষ্ট লাকসাম মা-মনি লাইফ কেয়ার হাসপাতালে বাচ্চা ডেলিভারির জন্য ভর্তি করান। ভর্তি পর ডাঃ আবদুল আলী ও জুয়েল তালুকদার মিলে সিজার অপরেশন করার প্রস্ততি নেয়। অপারেশন করার সময় ডাঃ আবদুল আলী বলে রোগীর এপেন্ডিসসাইটিস রয়েছে, বাড়তি ২ হাজার টাকা দিতে হবে, না দিলে রোগীর সমস্যা হবে।
রোগীর বাবা বাড়তি টাকা প্রদান করলে সিজার ও এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করা হয়। অপারেশন করার পর থেকে রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। পেটে পচন ধরে ফুলে যায়। ৪দিন পর মা-মনি লাইফ কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়া রোগীকে রিলিজ প্রদান করে। রোগীর অবস্থা আরো অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। রোগীর বাবা ডাঃ আবদুল আলী ও জুয়েল তালুদারের অপচিকিৎসার বিচার চান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঃ আবদুল আলী প্রায় ১৫বছর ধরে লাকসামে সিজার বানিজ্য করে আসছে। ২০২০সালে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। পরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি কনসালটেন্ট হিসেবে বদলী করা হয়। বর্তমানে মনোগরগজ্ঞ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। রোগী বিলকিস আক্তার বলেন “ডাঃ আবদুল আলী আমাকে জবাই করে দিয়েছে, আগে আমার এপেন্ডিসসাইটিস ছিল না, আমি সঠিক বিচার চাই”।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ডাক্তার আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com