রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।
সংবাদ শিরোনামঃ
গাবতলী, সোন্দাবাড়ী দারুল হাদিস রহমানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন কালে মাদরাসার কৃতপক্ষ ফুলের শুভেচ্ছা জানান (৪২)বগুড়া -৭ আসনের এমপি জনাব মোঃ রেজাউল করিম বাবলু মোহদয় কে।সেই সাথে সোন্দাবাড়ী দারুল হাদিস রহমানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন ? নামীদামী ব্রান্ডের সাথে পাল্লা দিয়ে নুরানী চিলি সস ও টমেটো কেচাপ এখন ভোক্তাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় উঠে এসেছে যাত্রাবাড়িতে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনে কাজ করছেন ট্রাফিক পুলিশের টিআই মৃদুল পাল ও মেনন শিবগঞ্জে আশুরা উপলক্ষে শোক মজলিস ও র‍্যালী বাল্যবিয়ের হাত থেকে রেহাই পেল কিশোরী গাছ থেকে কাঁঠাল পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের পরিবারের মাঝে সংঘর্ষ

খুচরায় কমেছে খোলা তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ববাজারে বেশ কমেছে ভোজ্যতেলের দাম। এর প্রভাবে গত দুই সপ্তাহ ধরে পাইকারি বাজারেও কমেছে খোলা তেলের দাম। পাইকারি বাজারে দাম কমায় খুচরাতেও পড়েছে এর প্রভাব। তবে খোলা তেলের দাম কমলেও নতুন করে বোতলজাত তেলের দাম এখনো কমানো হয়নি। ফলে খোলা তেলের দাম কমার সুফল পুরোপুরি পাচ্ছেন না গ্রাহক। কারণ বোতলজাত তেলের দাম বাড়া-কমার ওপর ভোক্তা পর্যায়ে নির্ভর করে খোলা তেলের দাম।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে মুদি দোকানে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিনের দাম ২ থেকে ৬ টাকা কমেছে। এছাড়াও পাম তেল ৫ থেকে ৭ টাকা কমেছে।

খুচরায় প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৬২ থেকে ১৬৪ টাকা, যা আগে ১৬৪ থেকে ১৭০ টাকা ছিল। অপরদিকে পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়, যা আগে ছিল ১২৫ থেকে ১৩২ টাকা।

রামপুরা বাজারের মুদি দোকানি ফরিদ হোসেন বলেন, পাইকারিতে দাম কমার কারণে এখন খুচরায় খোলা তেলের দাম কমছে। তবে বোতলজাত তেলের দাম না কমায় খুচরায় খোলা তেলের দাম কমার গতি কম।

তিনি বলেন, খুচরা বাজারে খোলা তেলের দাম নির্ভর করে বোতলজাত তেলের দাম বাড়া-কমার ওপর। বোতলজাত তেলের দাম বাড়লে খোলা তেলের দাম এমনিতেই বেড়ে যায়, কমলে কমে যায়।

অন্যদিকে কারওয়ান বাজারের তেল ব্যবসায়ী সোনালি ট্রেডার্সের আবুল কাশেম বলেন, সয়াবিনের চেয়ে পাম তেলের দাম দ্রুত কমেছে। মাসের ব্যবধানে প্রতি লিটার খোলা পাম তেল ১৫ থেকে ২০ টাকা কমেছে। যেখানে সয়াবিন সে তুলনায় অর্ধেকও কমেনি।

বোতলজাত তেলের দাম সরকারের সঙ্গে বসে নির্ধারণ করে দেয় তেল পরিশোধনকারী মিলগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সবশেষ গত ১৭ জুলাই বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ১৪ টাকা কমিয়ে ১৮৫ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি।

সরকার নির্ধারিত এ দাম ১৮ জুলাই থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন দরের তেল বাজারে ছাড়তে গড়িমসি করে কোম্পানিগুলো। সে কারণে আগের বাড়তি দরেই তেল বিক্রি হয়েছে বেশ কিছুদিন।

এদিকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির তথ্য বলছে, বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং পাম তেলের দাম ২ শতাংশ কমেছে। তবে বছরের ব্যবধানে বর্তমানে ভোজ্যতেলের দাম ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ বেশি এখনো।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com