সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

পুলিশের মিথ্যা মামলায় নির্যাতিত বিধবার ২ মেয়ে

বুলবুল আহমেদ,মান্দা: নওগাঁর মান্দা থানা পুলিশের মিথ্যা মামলায় বিধবা আলেয়া বেওয়ার ২ মেয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পরানপুর ইউপির বান্দাইপুর গ্রামে। বিধবা আলেয়া বেওয়া বান্দাইপুর গ্রামের মৃত বাবু মন্ডলের স্ত্রী।

জানা গেছে, গত সোমবার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে বিধবা আলেয়ার ২টি ছাগলে প্রতিবেশী গোলাম রাব্বানীর কদম গাছের পাতা খায়। পাতা খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী গোলাম রাব্বানী, বোন রোজিনা আক্তার, স্ত্রী মুক্তা বেগম বিধবার বাড়িতে প্রবেশ করে লোহার রড় ও বাশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে দুটি ছাগল নিয়ে চলে যায়।

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আহত আলেয়া বেওয়াকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এঘটনায় ওই দিনই আহত আলেয়া বেওয়া মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে এএসআই নান্নু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দুই দিন পরে এসআই জাহিদ আবারো ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কিন্তু ঘটনার ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও বিধবার ছাগল উদ্ধার বা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি মান্দা থানার ওসি শাহিনুর রহমান। পরে মান্দা-নিয়ামতপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমানের সহযোগিতায় ছাগল দুটি উদ্ধার করা হয়।

এঘটনায় বিধবা মামলা করতে চাইলে গড়িমসি শুরু করেন ওসি শাহিনুর রহমান। অবশেষে ৭ দিন পর সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমানের সহযোগিতায় বিধবার মামলা রেকর্ড হয়। মামলার প্রেক্ষিতে আসামী গোলাম রাব্বানী পুলিশের সাথে আতাঁত করে বিধবাসহ তার বিবাহিত দুই মেয়েকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বিধবাকে মারপিটের সময় তার দুই মেয়ে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। অথচ পুলিশ তদন্ত ছাড়াই বিধবাসহ তার দুই মেয়েকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে বিধবার দুই মেয়ে শশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। দুই মেয়েকে নিয়ে বিধবা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিধবার স্বামী প্রায় ১৮ বছর পূর্বে কান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। দুই মেয়ে কে বিবাহ দেওয়ার পর স্বামীর বাড়িতে একাই বসবাস করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন জানান, ঘটনার দিন বিধবার দুই মেয়ে তাদের শশুর বাড়িতে ছিল। তাদেরকে আসামী করা মোটেও ঠিক হয় নি।

এব্যাপারে বিধবা আলেয়া বেওয়া জানান, আমার অভিযোগের সঠিক তদন্ত না করে উল্টো আমি এবং আমার দুই মেয়েকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমার দুই মেয়েকে আসামী করায় চরম বিপাকে পড়েছি আমি। পুলিশেরা খুব অন্যায় করেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদ জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় নি। বিধবা আলেয়া হাসপাতালে থাকায় কথা বলা সম্ভব হয় নি। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com