সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

লক্ষ্মীপুরে ২০টি বছর পরে সেজো ভাইয়ের হত্যার বিচার চাইলেন তার ছোট ভাই

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষ্মীপুর জেলার উপজেলা সদরে ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছানা উল্যা হাওলাদার বাড়ীর ছৈয়াম্মদ হাওলাদারের সেজো নাতি মনির উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে সেজো মৃত জাহাঙ্গীর আলমের হত্যার বিচার দাবী জানিয়ে তার ছোট ভাই মামলার কার্যক্রম শুরু করেন।২০টি বছর পরে প্রতারক চক্রের এক সন্ত্রাস বাহিনী নিঃসংশয় ভাবে হত্যা করেছে দুলাল ও আজাদ নামের এ দুই ব্যক্তি।শুধু তাই নয়,সরাসরি হত্যা করে মৃত জাহাঙ্গীর আলমের লাশকে গোপন করে রেখে গোম করার চেষ্টা করেন দুলাল ও আজাদ।দুলাল ও আজাদ তারা দুই ভাই ৪নং চররুহিতার একই ইউনিয়নের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা হন।প্রবাসী মৃত জাহাঙ্গীর আলমের বাবার দুর্বলতার সুযোগে বেছে যায় মানুষ খুনি নামের দুই জন সন্ত্রাস বাহিনীর দল দুলাল ও আজাদ, তারা দুই জন একই মায়ের পেটের সন্তান।২০০০ সালে মৃত জাহাঙ্গীর আলম আবুধাবিতে যান,কিন্তু এই জাহাঙ্গীর আলম বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রায় ৪টি বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে এ ভিসাটির জন্য।একের পর এক,মাসের পর মাস, বছরের পর,বছর,দেরি করতে হয়েছে এই মৃত জাহাঙ্গীর আলম কে।শুধু তায় নয় এইভাবে শতে শতে মানুষ কে হইতে হয়েছে হয়রানি শিকার।অন্য একটি দেশে যাওয়ার জন্য ভিসার ব্যাপারে কথা বার্তা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দিন তারিখ ঠিক করেন জাহাঙ্গীর আলম।তিনি দুলালের ভিসা দেরি দেখে তার দেওয়া টাকা ফেরত চাওয়া মাত্রে একমাসের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের না আসা ভিসাটি চলে আসার কথা জানান সন্ত্রাস বাহিনী দুলাল।এদিকে জাহাঙ্গীর আলম আবুধাবির ভিসার দেরি দেখে যে ভিসার মালিকের সঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় যাওয়ার কথা ।তার সাথে না যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।পরিশেষে প্রতারক চক্রের সাথে যাওয়া হয় আবুধাবির ভিসাতে।মৃত প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমকে যে ভিসায় দেওয়ার কথা থাকে,সে ভিসা না দিয়ে দেওয়া হয় মরুভূমির ভিসা।কিন্তু তার পরেও তিনি কষ্ট শিকার করে থাকার কারণ হচ্ছে তার দেশের বাড়ীতে রেখে যাওয়া ছোট ভাই বোনদের মুখের দিকে তাকিয়ে।মৃত জাহাঙ্গীর আলমের স্বপ্ন ছিল তার ছোটবোনকে বড় উচ্চ শিক্ষিত করে মানুষের মতো মানুষ করা সেটা আর সম্ভব হয়নি এই হত্যা কারী দুলাল ও আজাদের কারণে।তারা দুই জন
মিলে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম কে নিঃসংশয় ভাবে ফাঁসী দিয়া হত্যা করেন।তাকে তার নিজ ভাষায় থাকা টয়লেটের উপর দড়ি দ্বারা জুলিয়ে রাখা হয় মৃত জাহাঙ্গীর আলম কে।তারা সাজানো নাটক বানিয়ে সে নাটকে নিজেরাই ফেঁসে যায় আজ।তাদের বক্তব্যে।একবার বলে নিজের ফাঁসি নিজেই দিয়েছে আবার বলে ঐ দেশের মেয়ের সঙ্গে প্রেম ছিল।আবার বলেন সে পাগল হওয়ার পরে তার নিজের আত্মা হত্যা নিজেই করেন।কিন্তু এ ঘটনা আর গোপন থাকেনি ফাঁশ হয় প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম কে নিঃসংশয় ভাবে হত্যা করার ঘটনা।কি ছিলো প্রবাসীর জাহাঙ্গীর আলমের দোষ।খুঁজে ভের করা হয় তাকে হত্যা করার মূল রহস্য।প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম আবুধাবির থাকার ৬ মাস শেষ পর্যায়ে প্রায় ৭মাসের সময়ে রোজার ঈদ শেষে আসে কোরবান ।এদিকে চিন্তিত রয়েছে দেশের বাড়ীতে তার জম্মদাতা পিতা।সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন ছেলে কখন টাকা পাঠাবে আবুধাবির থেকে।জাহাঙ্গীর আলমের বিদেশ যাওয়ার বয়স হচ্ছে ৭ মাস।কিন্তু জাহাঙ্গীর আলম সাত মাসে পারেননি একটি টাকাও দেশের বাড়ীতে পাঠাতে। হঠাৎ বাবার মনে ছেলের প্রতি সন্দেহ তৈরী হইতে না হইতে একদিন ছেলের সেজো চাচার বাসায় টেলিফোনে কল দেন।ছেলে বাবাকে জানান সন্ত্রাস বাহিনী দুলালের বিষয় বাবা আর কিছু না বলে গম্ভীর অবস্থায় থাকতে দেখে ছেলে বাবাকে বলেন।আমি আজে গিয়ে আজাদ এবং দুলাল কে বলবো আমার বেতনের পুরো টাকা দিতে আর তা না হইলে আমি আমার যা টাকা পাওয়ানা আছি আমি তা নিয়ে দেশে চলে আসবো।ছেলের এসব কথা শুনে বাবা বলেন তোমাকে কষ্ট শিকার করে থাকতে হবে এসব কথা জানান প্রবাসী মৃত জাহাঙ্গীর আলম।এদিকে বাবা ছেলের কথা হয় রবিবারে,সোমবারে খবর আসে বিদেশে ট্রাকের সাথে একসেন্ট হন মৃত জাহাঙ্গীর আলম।মঙ্গলবারে সকালে সন্ত্রাসী দুলাল জানান প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম টয়লেটে ফাঁসী দিয়েছেন।আসলে ছিলো এসব কথা মিথ্যা সাজানো নাটক দুলাল ও আজাদের।তাদের দুই জনের সাথে দেখা করতে যাওয়া হয় জাহাঙ্গীর আলম কে।জাহাঙ্গীর আলম সে খানে গিয়ে দেখেন তারা দুই ভাই জুয়ার আসনে বসা। জাহাঙ্গীর আলম কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে সে খানে আজাদ ও দুলাল বলেন জুয়ার আসনে বসার জন্য প্রবাসীর জাহাঙ্গীর আলম না বসে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় বলেন তার পাওনা টাকা দেওয়ার জন্য কিন্তু দুলাল ও আজাদ কোন কথা বলছেন না।এভাবে দুই থেকে তিন বার বলতে দেরি হতে না হতে দুলাল ও আজাদ তারা দুই জন মিলে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের উপর মারধর শুরু করেন।প্রথমে এলোপাতাড়ি কিল ঘুশী পরে গলা টিপেঁ হত্যা করা হয় জাহাঙ্গীর আলম কে।সোমবার দিন যায় রাত্রে জাহাঙ্গীর আলমের লাশ গোপন করে সারা দিন লুকিয়ে রাখেন তাদের গোপন কক্ষে।পরে মধ্যে রাতে তাদের গোপন কক্ষের থেকে নিয়ে তাকে তার বাসায় টয়লেটের মধ্যে দড়ি দিয়ে জুলিয়ে রাখা হয় জাহাঙ্গীর আলম কে।আজ ২০টি বছর ধরে অপেক্ষা ছিল এই দিনটির জন্য তার ছোট ভাই।মৃত ভাইয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে যারা দেয়নি আজ সে ভাইয়ের হত্যার বিচার দাবী জানিয়েছেন তার ছোট ভাই।প্রবাসী মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছোট ভাই সাংবাদিকদের জানান,এ জল্লাদরা আমার ভাইয়ের পাওনা টাকা দেয়নি।বরং পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে তার জীবন দিতে হয়েছে সন্ত্রাস বাহিনী দুলাল ও আজাদের হাতে।তায় দুলাল ও আজাদকে আইনের আওতায় এনে প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম কে হত্যা করার বিচার দাবী জানিয়ে বাংলাদেশ মানবতাবাদী মানবাধিকার কমিশনের লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি সাহেব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষ খুনি দুলাল ও আজাদ কে শাস্তি দাবী জানিয়েছেন মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছোট ভাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com