সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

ভোলায় নৌকা-ট্রলার তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ভোলার উপকূলে নৌকা-ট্রলার তৈরির ধুম পড়েছে। ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

বাঁধের উপর বা খোলা স্থানে তৈরি করা হচ্ছে এসব নৌকা-ট্রলার।

একেকটি নৌকা তৈরি করতে গড়ে সময় লাগে ২০ থেকে ৩০ দিন বা তারও অধিক। রেন্ড্রি, নলকড়াই, নাটাই ও মেহগনি গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি হয় এসব নৌকা।

এছাড়াও নৌকা-ট্রলার নির্মাণে তারকাটা, গজাল, পাতাং, আলকাতরা, রং ও কেরোসিন ব্যবহার হয়ে থাকে। হাতুড়ি-কাঠের শৈল্পিক ছন্দে কারিগররা এসব নৌকা নির্মাণ করেন। ইঞ্জিন হিসেবে বসানো হয় মেশিন, গিয়ার, সেফ পাখা ও সুকান।

একেকটি নৌকা-ট্রলার নির্মাণে গড়ে ৫ থেকে ১০ জন মিস্ত্রী অংশ নেন। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর নৌকায় ইঞ্জিন বসানো হয়, তারপর রং দিয়ে রোদে শুকানো হয়। শুকানোর পর নদীতে ভাসানো হয় নৌকা। একেকটি নৌকা নির্মাণে ধরন অনুযায়ী লাখ টাকাও খরচ হয়ে থাকে। বড় নৌকা-ট্রলার নির্মাণে কখনও আবার দুই থেকে চার লাখ টাকাও ব্যয় হয়ে থাকে। সমুদ্রগামী ফিশিং বোর্ট তৈরি খরচ তারও বেশি। নৌকা বা ট্রলার চালককে বলা হয় মাঝি।

কারিগররা জানান, নদীতে মাছ বেশি ধরা পড়লে নৌকা তৈরিও বেড়ে যায়। ফলে নৌকা তৈরির কারিগরদের অবস্থা এখন কিছুটা ভালো।

কারিগর মো.মাকসুদ  জানান, গত ২০ বছর ধরে নৌকা তৈরির কাজ করছি। এখন কাজের চাপ কিছুটা বেশি। সবাই নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত। একটি নৌকা তৈরিতে ২০ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। শীতের সময় নৌকার তৈরির কাজ কিছুটা বেড়ে বেড়ে যায়।

নৌকা তৈরির কারিগর রাসেল ও ইউসুফ জানান, আমরা দুইভাবে কাজ করি, দৈনিক পারিশ্রমিক ও চুক্তি ভিত্তিক হিসেবে।

একজন কারিগর বছরে গড়ে ৮-১০ টি নৌকা নির্মাণ করে থাকেন। এসব নৌকা তৈরি করতে গিয়ে অনেক শ্রম দিতে হয় তাদের।  সে তুলনায় শ্রমিকদের মজুরি কিছুটা কম।

নৌকা বা ট্রলার তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন কারিগররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com