সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

পুকুর পাড়ে গিয়ে মাছ চাষিদের বুঝানো  হলো কিভাবে উৎপাদন বাড়াতে হবে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
উপজেলা সদর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে সাতপাড়া গ্রাম। আখাউড়া-আগরতলা সড়ক হয়ে পিচ ঢালাই সরু পথে যেতে হয় দুই কিলোমিটারের মতো। সেখানকার পুকুর পাড়ে মঞ্চ তৈরি ছোট্ট একটি প্যান্ডেলে বসে থাকা লোকজনেন কাছে মাছ চাষিরা নিয়ে আসছেন পানি।
কার পুকুরের পানিতে ক্ষার ও এসিডের পরিমাণ কত সেটা পরিমাপ করে দিচ্ছেন মৎস্য অফিসের ওই লোকজন। একই সঙ্গে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরামর্শ।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা মৎস্য অফিস মঙ্গলবার এ আয়োজন করে। সাতাপাড়ার পাশাপাশি রহিমপুর গ্রামেও একই আয়োজন করা হয়। বেলা ১২টার দিকে সাতপাড়ার আয়োজনে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু। পরে রহিমপুরেও একই ধরণের আয়োজনে মৎস্য চাষিদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হয়।
সাতপাড়ায় আসা মৎস্য চাষী হিরন মিয়া জানান, তার পুকুরের পানিতে ক্ষার ও এসিডের পরিমান ৮.১ মাত্রার বলে জানানো হয়েছে। এটা স্বাভাবিক বলে তাকে জানানো হয়। তিনি পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি মাছ চাষ করে গত বছর ভালো লাভ করেছেন বলে জানান।
এরশাদ মিয়া নামে আরেক চাষী জানান, ৬০ শতাংশের পুকুরে তিনি কেজিত চারটা ওজনের মাছ ছেড়েছেন। এখানে এসে তিনি বিভিন্ন পরামর্শ পেয়েছেন।
ফেরদৌস মিয়া জানান, তিনিও পুকুরের পানি পরীক্ষা করিয়েছেন। আরো চাষীর পানি পরীক্ষা করে করণীয় সম্পর্কে বলেছেন মৎস্য কর্মকর্তারা। উপজেলা মৎস্য অফিসের লোকজন মাছ চাষে বিভিন্ন সময় পরামর্শ দেন বলে জানান তিনি।
মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘মাছ চাষে আখাউড়া উপজেলা অনেকটা এগিয়ে। আমরা চেষ্টা করি মাছ চাষীদেরকে সব ধরণের সেবা দেয়ার। এরই অংশ হিসেবে এলাকায় গিয়ে গিয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।’

সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস বলেন, ‘পানিতেই মাছের সংসার। তাই সবার আগে পানির অবস্থা সম্পর্কে জানতে হবে। পানিতে ক্ষারের মাত্রা সাড়ে সাত থেকে সাড়ে আট পর্যন্ত হলে সেটা আদর্শ। মাছের খাবার দেয়া, পানিতে চুন দেয়ার বিষয়েও সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। অতিরিক্ত খাবার কিংবা চুনের জন্য মাছেরর ক্ষতি হয়। পোকা মাকড় যেন না হয় সেজন্য পুকুর পাড়েও চুন দেয়া যেতে পারে।’।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com