সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Gtbnews24.com এর হেড অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বতর্মান ঠিকানাঃ মাঝিড়া,শাজাহানপুর,বগুড়া।
সংবাদ শিরোনামঃ
বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুর ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কাহালু সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থানায় তদবিরে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্র সচিব আয়রন ব্রিজ তো নয় যেন মরণ ফাঁদ উখিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেফতার ৬ শিবগঞ্জে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাওনের নির্বাচনী উঠান বৈঠক শিবগঞ্জে কৃষকের কলা বাগানের ছড়িতে মেডিসিন ষ্প্রে করে ২শতাধিক কলা নষ্ট করার অভিযোগ শিবগঞ্জ থানা পুলিশের আয়োজনে দূর্গাপূজা উপলক্ষে মত বিনিময় সভা ধামইরহাটে জাহানপুর ইউনিয়নে নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি লুইছার রহমান

নওগাঁর মান্দায় পাকুড়িয়া গণহত্যা দিবস পালিত

 এম,এ রাজ্জাক নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঐতিহাসিক পাকুড়িয়া গণহত্যা দিবস। দিবসটিকে কেন্দ্র করে মাননীয় এমপি মহোদয়ের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সর্ব অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, সর্বসাধারণ ও সুধীজন।

১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী মান্দায় চালাই এক নারকীয় হত্যাকান্ড। সারাদেশের মানুষ যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে ওঠে, তখন নওগাঁর মান্দা উপজেলা সদর হতে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে পাকুড়িয়া গ্রামে ২৮ আগষ্ট সকালে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী বাড়ি বাড়ি তল্লাশী চালিয়ে জনসভার নাম করে স্থানীয় পুরুষ গ্রামবাসীকে একে একে ডেকে নিয়ে আসে বর্তমান পাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এরপর সেখানে সবাইকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে মেশিনগানের গুলি চালিয়ে নিরাপরাধ গ্রামবাসীকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।

তবে এ সময় গায়ে রক্ত মেখে নিঃশ্বাস চেপে রেখে মৃত্যুর ভান করে ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান ১৯ জন। পরে কয়েক দিনের ব্যবধানে মারা যান আহতদের মধ্যে অনেকেই। সে সময় পাকুড়িয়া পরিণত হয়েছিল যেন এক বিধবা পল্লীতে। যারা শরীরে বুলেটের চিহ্ন নিয়ে বেঁচে আছেন তারা আজো সেই দিনের স্মৃতির কথা মনে করে আঁতকে উঠেন, আজো কেঁদে ওঠেন হারানো স্বজনদের কথা মনে করে। এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম নির্মম পৈশাচিক গণহত্যার ঘটনা।

অথচ সেই নারকীয় ঘটনার ইতিহাস আজও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। তেমন কোন উদ্যোগও নেয়া হয়নি শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে। ৪৫ বছর যাবত এই দিনে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ মাহফিল করা হলেও সরকারীভাবে তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি আজও।

অবিলম্বে সরকারী ভাবে পাকুড়িয়া গণহত্যার ইতিহাস, শহীদদের কথা স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রে লিপিবদ্ধ, স্মৃতি রক্ষার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ, এবং দিনটিকে সরকারীভাবে পালনের জোর দাবী জানিয়েছেন শহীদ পরিবারসহ এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com