মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে ইউপি সদস্যকে জরিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের

আইনুল ইসলাম, মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিপক্ষের বাড়ীঘরে হামলার মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। ১১ই জুলাই মঙ্গলবার চাঁন্দাশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সকল সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদান নবী রিপন এর উপস্থিতিতে ওই ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল জানান, চককন্দর্পপুর গ্রামের মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হাই এর সাথে তার চাচা একই গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস ছালামের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো।

গত ৮ আগষ্ট শনিবার সকালে বিরোধীয় সম্পত্তি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আব্দুল হাই, তার ছেলে নুর আমিন, আরিফ, তার ভাই খাজামুদ্দিন, ভাতিজা বেলাল, হাবিবুল্লাহ্সহ লাঠিসোটা নিয়ে আব্দুস ছালাম, তার ছেলে জাহাঙ্গীর এর উপর হামলা করে। তাদের মারপিটে আব্দুস ছালাম, তার ছেলে জাহাঙ্গীর গুরুতর আহত হয়ে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল আরো জানান, এ ঘটনায় তিনি ইউপি সদস্য ও প্রতিবেশী হওয়ায় ঘটনার পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে আব্দুল হাইকে বকাবকি করেন এবং এ ধরণের ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়নি বলে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল হাই প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে থানায় মিথ্যা অভিযোগসহ সাংবাদিকদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। যে সংবাদ ও অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।

এ বিষয়ে চাঁন্দাশ ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদান নবী রিপন জানান, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য জোর দাবী জানান।

নওগাঁর মহাদেবপুরের গ্রামডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ চিকিৎসাসেবায় সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বাইরে

আইনুল ইসলাম, মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর মহাদেবপুরে বিভিন্ন এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন গ্রাম ডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ। তিনি উপজেলার বেশ কিছু এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ দান করে থাকেন। যে অর্থ দিয়ে এতিমদের খাবারের ব্যবস্থা, মসজিদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। তিনি পেশায় একজন গ্রাম ডাক্তার। উপজেলা সদরের পাশেই কুঞ্জবন বাজারে তার আব্দুল্লাহ হোমিও হল নামে একটি চেম্বার আছে। সেখানে তিনি হোমিও প্যাথিক মতে প্রতিদিন গড়ে একশ রোগী দেখে থাকেন।

তার রোগির মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ, আইনজীবী, পুলিশ ও তার পরিবারের সদস্য, বিজিবি ও তার পরিবারের সদস্য, সেনাবাহিনী ও তার পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্য শ্রেণি পেশার নানান মানুষ। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ জন গরীব ও অসহায় রোগিকে বিনামূল্যে ঔষধও দিয়ে থাকেন এবং অনেক রোগিকে সর্বোচ্চ ৫০ ভাগ কমিশনেও ঔষধ দিয়ে থাকেন বলে তিনি জানান।

তার চিকিৎসা সেবায় সুস্থ্য হচ্ছেন এলাকার হাজারো মানুষ। তিনি হোমিওপ্যাথি মতে প্রায় সকল রোগের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তার এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগিরা জানান, তারা এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন। অনেকেই নিজেরা সুস্থ্য হয়ে আত্নীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের নিয়ে এসেছেন চিকিৎসাসেবা নিতে। তার কাছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা লালমনিরহাটের পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমি বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলাম। নওগাঁর একজন পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে এখানকার খোঁজ পেয়েছি। এখানে চিকিৎসাসেবা নিয়ে আমি অনেক সুস্থ্য।

তার মতে ডা. আব্দুল্লার হাতজোশ অনেক, তাছাড়াও তিনি একজন কোরআনের হাফেজ, তাই হয়তো আল্লাহ তার হাত দিয়ে মানুষকে সুস্থ্য করে তুলছেন।গ্রামডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ওয়াদুদ এর পিতা হাফেজ মোঃ নাজমুল হক এবং তার ছোটভাই হাফেজ মাওলানা আতিকুর রহমান। সকলেই বাস করেন খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন গ্রামে।চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গ্রামডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ওয়াদুদ বিভিন্ন এতিমখাতা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় যে সহযোগিতা তা এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার সুচিকিৎসার সুনাম এখন ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বাইরেও। তাই প্রতিদিন জেলার বাইরে থেকেও অনেক জোটিল রোগি আসছেন চিকিৎসাসেবা নিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com