বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

ধামইরহাটে ফেনসিডিলসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক

All-focus

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর ধামইরহাট থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে তিন মাদক ব্যবসায়ীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের পূর্বক কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুল মমিন বলেন,মাদক বিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় দিকে উপজেলার উমার ইউনিয়নের অন্তর্গত দৌলতপুর গ্রামে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবু কাহার সিদ্দিক কে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এছাড়া শুক্রবার দুপুরে ধামইরহাট পৌরসভার অন্তর্গত মালাহার গোপির মোড় নামকস্থান থেকে অটো রিক্সায় যাত্রী সেজে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ১০ বোতল ফেনসিডিল সাজিয়ে পাচারকালে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে নাজমুল বাবু রনি (২১),একই গ্রামের ছানাউল ইসলামের ছেলে রাসেল হোসেন (২০) এবং একজন কিশোর। এছাড়া আগ্রাদ্বিগুন দক্ষিণখন্ডা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মাদক মামলার পলাতক আসামী জুয়েল হোসেন (২৮) কে আটক করে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ অভিযানে নেতৃত্বদেন ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুল মমিন,পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ এবং উপপরিদর্শক মহসিন আলীসহ অন্যরা। আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ধামইরহাটের গ্রামীণ সড়কগুলো অবৈধ ট্রাক্টরের কারণে ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়ছে

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃনওগাঁর ধামইরহাটে অবৈধ ট্যাক্টরে অতিরিক্ত বালু পরিবহন করায় গ্রামীণ সড়কগুলো ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। অবৈধ এ যানবাহনের কারণে সড়কগুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ার জনগণের ভোগান্তি চরক আকার ধারণ করেছে। এলজিইডির পক্ষ থেকে গর্তে খোয়া ও বালু ফেলে রাস্তা সচল করার চেষ্টা চলছে।

জানা গেছে,উপজেলার আত্রাই নদীর বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করছে বালু মহলের ইজারাদার। আত্রাই নদীর রাঙ্গামাটি,ছালিগ্রাম,শীমুলতলী ব্রীজের উত্তর পাড় থেকে মেশিন দিয়ে বোরিং করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ নদীর বালুর গুনগত মান ভালো হওয়ার এ চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আত্রাই নদী থেকে বালু ভর্তি ট্যাক্টরগুলো রাঙ্গামাটি-আমাইতাড়া উপজেলা সড়ক ব্যবহার করছে।

সড়কটি মূলত আলমপুর ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরে যাতায়াতের জন্য উপজেলা সড়ক হিসেবে পরিচিত। ধামইরহাট পার্শ্ববর্তী সাপাহার,পোরশা উপজেলা এবং জয়পুরহাট জেলা সদরে প্রতিদিন শত শত বালু বোঝাই ট্যাক্টর (মেসি) যাতায়াত করছে। অনেক সময় এসব বালু পয়েন্টে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলে পার্শ্ববর্তী পত্নীতলার উপজেলার বুড়িদহ ঘাট থেকে বালু পরিবহন করা হয়।

আর এসব বালু পরিবহন কাজে অবৈধ ট্যাক্টর বেশি ব্যবহার হয়। অধিক লাভের আশায় ট্যাক্টরগুলোর বডির স্বাভাবিক মাপের ওপর কাঠ ও বাঁশ ব্যবহার করে অতিরিক্ত বালু পরিবহন করা হয়। ট্যাক্টরগুলোর রুট পারমিট না থাকলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় এগুলো চলাচল করছে। এ রাস্তার রাঙ্গামাটি কৃষি ব্যাংকের দক্ষিণ পার্শে,রঘুনাথপুর বাজারের পশ্চিম দিকে এবং দয়ালের মোড় নামকস্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

এ গর্তের কারণে জনগণকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রঘুনাথপুর গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী ওহেদুল ইসলাম বলেন,শুধুমাত্র ট্যাক্টরের কারণে এ রাস্তাগুলো নষ্ট হচ্ছে। শালুককুড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল রাজ্জাক আক্ষেপ করে বলেন,রাস্তায় গর্র্ত হওয়ার কৃষি পণ্যসামগ্রী হাট বাজাতে নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ধামইরহাট বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী সামু প্রসাদ সাহা বলেন,প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে তার মালামাল আনা নেয়া করতে হয়। কিন্তু রাস্তা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন।

এব্যাপারে এলজিইডি ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী মো.আলী হোসেন বলেন,এ রাস্তায় যেসব গর্ত হয়েছে সেগুলো বালু ও খোয়া দিয়ে ভরাট করে রাস্তাটি সচল করা হয়েছে। রাস্তাটি মূলত উপজেলা সড়ক হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্যাক্টর চলাচল করছে। রাস্তার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অধিকহারে মালামাল পরিবহন করায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া ট্যাক্টরগুলোর বড়ির স্বাভাবিক মাপের উপর বাঁশ ও কাঠের তক্তা দিয়ে অতিরিক্ত বালু পরিবহন করছে। উপরোন্ত এসব ট্যাক্টর নিয়ন্ত্রণহীন গতিবেগে চলাচল এবং চাকার ধরণ রাস্তার জন্য ক্ষতিকর। রাস্তাটি সংস্কার ও ১৮ ফুট প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com