বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

আতিয়া আলম মিলির নিজ অর্থায়নে হাসি ফুটেছে ১০টি পরিবারে

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া: আতিয়া আলম মিলি। একজন প্রতিষ্ঠিত সমাজ সেবক। মহিয়সী এই নারী গরিবের পিছনে ছুটে তাদের দুঃখ দূর্দশা ভাগ করে নিতে পারলেই নিজেকে সুখি মানুষ হিসেবে মনে করেণ। আর এটা তার নিজের ও স্বামীর পরিবার থেকে ছোট বেলা থেকেই শিখেছেন তিনি।

শিক্ষা জীবনে দরিদ্র সহপাঠিদের স্কুল-কলেজের বেতনসহ ফরম পূরণের অর্থও দিয়েছেন বহুবার। ওই সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাকে শিক্ষক,অভিভাবক ও অন্যরা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব  প্রকৃত মানুষ হিসেবে জানতেন। তিনি বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলমের সহধর্মীনি।

বর্তমানে স্বামীর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই সাধারণ মানুষকে সহযোগীতা করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে  চলছেন সমাজ  থেকে সমাজে। এরই ধারাবাহিকতায় বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের খেজুরবাড়ি আবাসনের আগুনে পুড়ে যাওয়া ১০টি ঘরে নতুন করে তার নিজ অর্থায়নে টিন দিয়ে ছাউনি করে দিয়েছেন। ফলে অসহায় ওই ১০টি পরিবারের সদস্যদের অবয়বে নতুন টিনের ঝিলিকের মতো প্রশান্তির হাসি ফুটেছে।

এছাড়াও মহিয়সী এই সমাজ সেবক তার স্বামীর নির্বাচনী এলাকা বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলায় যতগুলো আবাসন ও গুচ্ছ গ্রাম রয়েছে তার প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঈদের নতুন কাপড় উপহার দিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অপরদিকে সব সময়ই খোঁজ খবর রাখছেন এলাকার সাধারণ মানুষের। করোনাকাল শুরু হওয়ার পর থেকে তার নিজ অর্থায়নে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার

বলে দরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করেছেন। সমাজ সেবক আতিয়া আলম মিলি অতি দরিদ্র পরিবারকে সামাজিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ছাগল ক্রয় করে দিয়ে সহায়তা করছেন। এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক অতি দরিদ্র পরিবারকে ছাগল প্রদান করেছেন বলে জানাগেছে। তার মধ্য থেকে অনেক পরিবারই তার দেয়া ছাগল লালন-পালন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com