শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:০৭ অপরাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় জিটিবি নিউজ এর সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

রংপুরের ৩ উপজেলার ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

জিটিবি নিউজঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গঙ্গাচড়ার কোলকোন্দ ইউনিয়নের একটি বাঁধের ১’শ ফুট ভেঙ্গে গেছে। ডালিয়া ব্যারেজ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দিনভর ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকে।

রাতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়ার লহ্মীটারী ইউনিয়নের চর ইচলী, শংকরদহ, বাগেরহাট, জয়রাম ওঝা, চর চল্লিশাসালের প্রায় আড়াই হাজার পরিবার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল, মটুকপুর, বিনবিনার চরের প্রায় ১৭’শ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনার চরের হুমায়ুনের বাঁধের ১’শ ফুট ভেঙ্গে গিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।

এতে ২ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গজঘণ্টা ইউনিয়নের ছালাপাক, জয়দেব, রাজবল্লভের কিছু অংশ নদী পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ফলে ইউনিয়নের ৫’শ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। মর্ণেয়া ইউনিয়নের চর মর্ণেয়া, নীলারপার এলাকার ১ হাজার পরিবার, নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডোহরা, চর নোহালী, বৈরাতির প্রায় ২ হাজার পরিবার, পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের হাগুড়িয়া হাশিম, শিবদেবসহ ৫টি গ্রামের প্রায় ৫’শ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে। কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ঢুষমারার চর, পাঞ্জরভাঙ্গা, চরগদাই, গোপিডাঙ্গা, নিজপাড়া ও তালুক

শাহবাজপুরের কিছু এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। এতে বালাপাড়া ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়া টেপামধুপুর ইউনিয়নের চরগোনাই, হরিচরন শর্মা, বিশ্বনাথ চর, আজমখাঁ চর, টাপুর চর, হয়বৎ খাত চরের ২ হাজার পরিবার আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যায় ফসলী ক্ষেত, ঘর-বাড়ি ডুবে গেছে। অনেকে তিস্তা নদীর বাঁধে গবাদীপশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যায় ঘর-বাড়ি ডুবে যাওয়ায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, গত শুক্রবার রাতে তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে তা বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তিস্তার পানি এখন কমছে। তবে আবারও বাড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com