বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
Welcome To Our Website...

মাদক ও অস্ত্র মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট

Rapid Action Battalion (RAB) escort ruling party leader Ismail Hossain Samrat following his arrest in Dhaka on October 6, 2019. - A prominent Bangladesh ruling party politician with alleged links to the capital's underworld was arrested on October 6 in a sweeping anti-graft drive championed by the prime minister, amid corruption accusations against her government. (Photo by STRINGER / AFP)

জিটিবি নিউজ টুয়েন্টিফোর : যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি (বহিষ্কৃত) ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মাদক ও অস্ত্র আইনের পৃথক দুই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্রাটের সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে পাঁচ দিনের।

আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন এ আদেশ দেন।

রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য সম্রাট ও তাঁর সহযোগীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আজ হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশনা ছিল। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পৌনে ১২টার দিকে তাঁকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ।

সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের এবং আরমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১০ দিন রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর। একই সঙ্গে এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপরও শুনানি ছিল। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ওই দিন সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। আরমানকে অবশ্য মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। দুজনের রিমান্ড শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী।

গত ৭ অক্টোবর রাতে রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি ১০ দিন করে ২০ দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আরমানকেও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তাঁর সহযোগী আরমানকে গত ৬ অক্টোবর ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়। আরমান মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। আর সম্রাটকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ওই দিনই সম্রাটের কার্যালয় রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায় র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় এক হাজার পিস ইয়াবা ও সংরক্ষণের আড়াই হাজার জিপার প্যাকেট। সম্রাটের কক্ষে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল মদ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং পাঁচ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © gtbnews24.com