ফখরুলের শূন্য আসন দখলের ঘোষণা বগুড়া আ. লীগের

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্ধারিত সময়ে শপথ না নেওয়ায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করার পর বগুড়ায় আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, সাধারণ ভোটাররা তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছিল। তিনি তাদের সেই সম্মান রাখেননি। এখন পুনরায় ভোটের সুযোগ আসায় সেই ভুল আর করবে না। জনগণ বিপুল ভোটে নৌকার প্রার্থীকে জয়লাভ করাবে।

বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিন দলকে অনেক দিয়েছেন। তাঁর অবর্তমানে দলের হাল ধরার পাশাপাশি বগুড়া সদর-৬ আসনের যোগ্য প্রার্থী হবেন তাঁর ছেলে মাসুদার রহমান মিলন। তিনি বগুড়া চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং বারবার জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা। যোগ্য প্রার্থী তিনিই।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী মির্জা ফখরুলের বিষয়টি সংসদকে অবহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ নেওয়ার কথা। কিন্তু তিনি অসমর্থ (শপথ না নেওয়ায়) হওয়ায় তাঁর আসনটি শূন্য হয়েছে। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও ও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেন। বগুড়া-৬ আসনে তিনি নির্বাচিত হন। বগুড়া সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল ইসলাম রাজ বলেন, প্রয়াত নেতা মমতাজ উদ্দিনের ছেলের কোনো বিকল্প প্রার্থী থাকতে পারে না। তিনি ক্লিন ইমেজের মানুষ। দলের হাল ধরার জন্যও তৈরি রয়েছেন। জানতে চাইলে বগুড়া চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং প্রয়াত আলহাজ মমতাজ উদ্দিনের পুত্র মাসুদার রহমান মিলন বলেন, দলকে তিনি ভালোবাসেন। কেন্দ্র চাইলে প্রার্থী হতে রাজি আছেন। বগুড়ার মানুষ নৌকাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে ব্যালটে সেটি তারা দেখিয়ে দেবে। জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের কাছে বগুড়ার এই গুরুত্বপূর্ণ আসন শূন্য হওয়ায় প্রতিক্রিয়া কী, এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, ‘এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। কেন তিনি শপথ নিলেন না তা উচ্চমহলের বিষয়। আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *